হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (421)


وَلَهُ عَنْ طَلْقٍ لَا صَلَاةَ لِمُنْفَرِدٍ خَلْفَ الصَّفِّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه ابن حبان (2202)، عن علي بن شيبان، قال: قدمنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فصلينا خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم، صلاته إذا رجل فرد، فوقف عليه نبي الله صلى الله عليه وسلم، حتى قضى الرجل صلاته، ثم قال له نبي الله صلى الله عليه وسلم: «استقبل صلاتك، فإنه لا صلاة لفرد خلف الصف». وأما قول الحافظ: «عن طلق» فهو وهم منه رحمه الله




৪২১. ইবনু হিব্বান ত্বলক হতে অন্য এক হাদীসে বর্ণনা করেছেন, “সারির পেছনে একাকী দাঁড়নো ব্যক্তির সালাত হয় না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু হিব্বান ২২০২। ইবনু হিব্বানে রয়েছে, আলী বিন শাইবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে তাঁর পিছনে সালাত আদায় করলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত শেষ করলেন তখন তিনি দেখলেন, একজন লোক পিছনের কাতারে একাকী সালাত আদায় করছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সালাত শেষ হওয়া পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি তোমার সালাত পুনরায় পড়। কেননা কাতারের পিছনে একাকী সালাত আদায়কারীর সালাত সিদ্ধ হয় না।









বুলূগুল মারাম (422)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا سَمِعْتُمْ الْإِقَامَةَ فَامْشُوا إِلَى الصَّلَاةِ, وَعَلَيْكُمْ السَّكِينَةُ وَالْوَقَارُ, وَلَا تُسْرِعُوا, فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا, وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (636)، ومسلم (602)




৪২২. আবূ হুরাইরা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন তোমরা ইক্কামাত শুনতে পাবে, তখন সালাতের দিকে চলে আসবে, তোমাদের উচিত স্থিরতা ও গাম্ভীর্য অবলম্বন করা। তাড়াহুড়া করবে না। ইমামের সাথে যতটুকু পাও তা আদায় করবে, আর যা ছুটে যায় তা পূর্ণ করবে। -(শব্দ বিন্যাস বুখারী)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৩৬, ৯০৮, মুসলিম ৬০২, তিরমিযী ৩২৭, নাসায়ী ৮৬১, আবূ দাউদ ৮৭২, ৮৭৩, ইবনু মাজাহ ৭৭৫, আহমাদ ৭১৮৯, ৭২০৯, ৭৬০৬, মুওয়াত্তা মালেক ১৫২, দারেমী ১২৮২









বুলূগুল মারাম (423)


وَعَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «صَلَاةُ الرَّجُلِ مَعَ الرَّجُلِ أَزْكَى مِنْ صَلَاتِهِ وَحْدَهُ, وَصَلَاتُهُ مَعَ الرَّجُلَيْنِ أَزْكَى مِنْ صَلَاتِهِ مَعَ الرَّجُلِ, وَمَا كَانَ أَكْثَرَ فَهُوَ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ - عز وجل». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (554)، والنسائي (2/ 104 - 105)، وابن حبان (2056)




৪২৩. উবাই বিন কাব (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-একা একা সালাত আদায়ের চেয়ে অপর এক ব্যক্তির সাথে সালাত আদায় করা উত্তম। আর দু জনের সঙ্গে জামাআত করে সালাত আদায় করা একাকী সালাত আদায়ের চেয়ে উত্তম। তারপর যত অধিক (জামাআত বড়) হবে ততোধিক মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট তা প্রিয়। mdash;ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৫৯৫, ২৯৩১, আহমাদ ১১৯৪৫, ১২৫৮৮









বুলূগুল মারাম (424)


وَعَنْ أُمِّ وَرَقَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - أَمَرَهَا أَنْ تَؤُمَّ أَهْلَ دَارِهَا رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (592)، وابن خزيمة (1676)




৪২৪. উম্মু ওয়ারাকাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে (ওয়ারকার মাতাকে) হুকুম করেছিলেন যে, সে তার মহল্লাবাসীনীর ইমামতি করবে। -ইবনু খুযাইমাহ একে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু খুযাইমা ১৬৭৬, আবূ দাউদ ৫৯১, আহমাদ ২৬৭৩৮









বুলূগুল মারাম (425)


وَعَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - اسْتَخْلَفَ ابْنَ أُمِّ مَكْتُومٍ, يَؤُمُّ النَّاسَ, وَهُوَ أَعْمَى. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (595)، وأحمد (3/ 132 و 192)، وهو وإن كان عندهما بسند حسن إلا أن الحديث صحيح بشاهده التالي




৪২৫. আনাস (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবনু উম্মু মাকতুম অন্ধ সাহাবীকে লোকেদের ইমামতি করার জন্য (মাদীনায়) তাঁর স্থলাভিষিক্ত করেছিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ এবং আহমাদ এর বর্ণনায় হাদীসটি হাসান সানাদে বর্ণিত হলেও পরবর্তী শাহেদ হাদীস থাকার কারণে হাদীসটি সহীহ।









বুলূগুল মারাম (426)


وَنَحْوُهُ لِابْنِ حِبَّانَ: عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه ابن حبان (2134)، (2135)، عن عائشة؛ أن النبي صلى الله عليه وسلم استخلف ابن أم مكتوم على المدينة يصلي بالناس




৪২৬. ইবনু হিব্বানেও ‘আয়িশা (রাঃ) হতে অনুরূপ একটি হাদীস বর্ণিত আছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু হিব্বান ২১৩৪, ২১৩৫। হাদীসটি সহীহ। ইবনু হিব্বান তা বর্ণনা করেছেন। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদের ইমামতি করার জন্য ইবনু উম্মু মাকতুমকে মদীনায় রেখে গিয়েছিলেন।









বুলূগুল মারাম (427)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «صَلُّوا عَلَى مَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ, وَصَلُّوا خَلْفَ مَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ». رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
موضوع. رواه الدارقطني (2/ 56)، وله طرق عن ابن عمر، ولكن كلها واهية، ففي قول الحافظ «بإسناد ضعيف» تسامح كبير، ومثله قول النووي في «المجموع» (4/ 153)




৪২৭. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু” কালিমা পাঠ করেছে তার জানাযার সালাত আদায় কর। আর যে ব্যক্তি “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু” কালিমা পাঠ করেছে তার পেছনে (মুক্তাদী হয়ে) সালাত আদায় করবে। mdash;দারাকুৎনী দুর্বল সানাদে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] দারাকুতনী ২/৫২। হাদীসটি সহীহ। ইমাম তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করার পর বলেন, হাদীসটি গরীব। প্রকৃতপক্ষে এর অনেক শাহেদ হাদীস থাকার কারণে হাদীসটি সহীহ।

আল কামিল ফিয যুয়াফা (৩/৪৭৮) গ্রন্থে ইবনু আদী হাদীসটি বানোয়াট বলে আখ্যা দিয়েছেন। আল ওহম ওয়াল ইহাম (৫/৬৮৫) গ্রন্থে ইবনু কাত্তান বলেন সানাদে একজন রাবী কাযযাব (মিথ্যাবাদী) রয়েছে। এ ছাড়া ফাতাওয়া মূর আলাদ্দার (১৪/৪৪) গ্রন্থে বিন বায আল আল আমিউস স্বাগীর (৫০৩০) গ্রন্থে ইমাম সুয়ূত্বী ইরওয়াউল গালীল (৭২০) ও যয়ীফুল জামে (৩৪৮৩) গ্রন্থে আলবানী দুর্বল আখ্যায়িত করেছেন।









বুলূগুল মারাম (428)


وَعَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أَتَى أَحَدُكُمْ الصَّلَاةَ وَالْإِمَامُ عَلَى حَالٍ, فَلْيَصْنَعْ كَمَا يَصْنَعُ الْإِمَامُ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الترمذي (591) وقال: «حديث غريب». قلت: ولا يضر ذلك إن شاء الله تعالى، إذ له شواهد يصح بها كما ذكرته بالأصل




৪২৮. ‘আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে আসে তখন ইমাম যে অবস্থায় থাকে তাঁর সঙ্গে সে অবস্থাতেই জামাআতে শরীক হবে ও তিনি যা করেন মুক্তাদীও তাই করবে। তিরমিযী দুর্বল সানাদে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৫৯১









বুলূগুল মারাম (429)


عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: أَوَّلُ مَا فُرِضَتْ الصَّلَاةُ رَكْعَتَيْنِ, فَأُقِرَّتْ صَلَاةُ السَّفَرِ وَأُتِمَّتْ صَلَاةُ الْحَضَرِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

وَلِلْبُخَارِيِّ: ثُمَّ هَاجَرَ, فَفُرِضَتْ أَرْبَعًا, وَأُقِرَّتْ صَلَاةُ السَّفَرِ عَلَى الْأَوَّلِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1090)، ومسلم (685)
صحيح. رواه البخاري (3935)، ولفظه: ثم هاجر النبي صلى الله عليه وسلم، ففرضت أربعا، وتركت صلاة السفر على الأولى




৪২৯. ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, প্রথম অবস্থায় সালাত দু রাকআত করে ফরয করা হয় অতঃপর সফরে সালাত সেভাবেই স্থায়ী থাকে এবং মুকীম অবস্থায় সালাত পূর্ণ (চার রাকআত) করা হয়েছে।



বুখারীতে আছে, অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হিজরাত করলেন, ঐ সময় সালাত চার রাকআত করে দেয়া হয়। এবং সফর কালে আগের অবস্থা অর্থাৎ দু রাকআত বহাল রাখা হয়।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১০৯০, ৩৫০, ৩৯৩৫, মুসলিম ৬৮৫, নাসায়ী ৪৫৩, ৪৫৫, আবূ দাউদ ১১৯৮, আহমাদ ২৫৪৩৬, ২৫৮০৬, মুওয়াত্তা মালেক ৩৩৭, দারেমী ১৫০৯। বুখারীর বর্ণনায় রয়েছে, ثم هاجر النبي صلى الله عليه وسلم، ففرضت أربعا، وتركت صلاة السفر على الأولى অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হিজরাত করলেন, ঐ সময় চার রাক’আত করে দেয়া হয়। এবং সফর কালে আগের অবস্থা অর্থাৎ দু রাক’আত বহাল রাখা হয়।









বুলূগুল মারাম (430)


زَادَ أَحْمَدُ: إِلَّا الْمَغْرِبَ، فَإِنَّهَا وِتْرُ النَّهَارِ, وَإِلَّا الصُّبْحَ, فَإِنَّهَا تَطُولُ فِيهَا الْقِرَاءَةُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. روه أحمد (6/ 241) من طريق داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن عائشة، به. قلت: وهو وإن كان رجاله ثقات كما قال الهيثمي في: «المجمع» (2/ 154) إلا أنه منقطع بين الشعبي وبين عائشة، فقد قال ابن معين في «تاريخ الدوري» (2/ 286): «ما روى الشعبي عن عائشة فهو مرسل»، لكن الحديث جاء من طريق موصول. رواه ابن خزيمة (305)، وابن حبان (2738) من طريق محبوب بن الحسن، حدثنا داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن مسروق، عن عائشة به. وقال ابن خزيمة: «هذا حديث غريب لم يسنده أحد أعلمه غير محبوب بن الحسن، رواه أصحاب داود، فقالوا: عن الشعبي، عن عائشة خلا محبوب بن الحسن». قلت: ومحبوب ليس بالقوي كما قال أبو حاتم (4/ 1/389)، لكنه لم يتفرد بوصله كما قال ابن خزيمة، فقد تابعه مرجي بن رجاء، كما في «شرح معاني الآثار» للطحاوي (1/ 415)، فهو به صحيح




৪৩০. ইমাম আহমাদ বৃদ্ধি করেছেন: “মাগরিবের সালাত ব্যতীত কেননা সেটা দিনের সালাতের বিতর (বিজোড়), আর সকালের (ফজরের) সালাত ব্যতীত কেননা তাতে কিরাআত লম্বা হয়।”












বুলূগুল মারাম (431)


وَعَنْ عَائِشَةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يَقْصُرُ فِي السَّفَرِ وَيُتِمُّ, وَيَصُومُ وَيُفْطِرُ. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ, وَرُوَاتُهُ ثِقَاتٌ. إِلَّا أَنَّهُ مَعْلُولٌ
وَالْمَحْفُوظُ عَنْ عَائِشَةَ مِنْ فِعْلِهَا, وَقَالَتْ: إِنَّهُ لَا يَشُقُّ عَلَيَّ. أَخْرَجَهُ الْبَيْهَقِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه الدارقطني (2/ 44/189)، والبيهقي (3/ 141) من طريق سعيد بن محمد بن ثواب، حدثنا أبو عاصم، حدثنا عمرو بن سعيد، عن عطاء بن أبي رباح، عن عائشة به. وقال الدارقطني: «وهذا إسناد صحيح». قلت: وهو كما قال، فرجاله كلهم ثقات، وابن ثواب، أدخله ابن حبان في: «الثقات» (8/ 272)، وقال: «مستقيم الحديث». ومع هذا فهو معلول كما قال الحافظ بل قال ابن القيم في «الزاد» (1/ 464 - 465): لا يصح، وسمعت شيخ الإسلام ابن تيمية يقول: هو كذب على رسول الله صلى الله عليه وسلم

صحيح. رواه البيهقي (3/ 143) عن عروة، عن عائشة رضي الله عنها؛ أنها كانت تصلي في السفر أربعا. فقلت لها: لو صليت ركعتين، فقالت: يا ابن أختي إنه لا يشق علي. قلت: وقد ثبت عنها رضي الله عنها أنها كانت تتم، كما في: «الصحيحين» وقد ذكرت ذلك «بالأصل




৪৩১. ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে সালাত কসর করতেন ও পুরোও আদায় করতেন, সওম পালন করতেন, আবার তা কাযাও করতেন। দারাকুৎনী; এর সকল রাবীই নির্ভরযোগ্য) তবে এটি মালুল (ত্রুটিযুক্ত)। ‘আয়িশা (রাঃ))-এর এটা নিজস্ব কাজ; তিনি বলেন, (সফরে পুরো সালাত আদায় করা, সওম পালন) এটা আমার জন্য কঠিন কাজ নয়।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] দারাকুতনী ২/৪৪/১৮৯।









বুলূগুল মারাম (432)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ أَنْ تُؤْتَى رُخَصُهُ كَمَا يَكْرَهُ أَنْ تُؤْتَى مَعْصِيَتُهُ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ, وَابْنُ حِبَّانَ
وَفِي رِوَايَةٍ: «كَمَا يُحِبُّ أَنْ تُؤْتَى عَزَائِمُهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه ابن حبان (354) من حديث ابن عباس




৪৩২. ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলা তাঁর অবকাশ দেয়া কাজগুলো কার্যকরী হওয়া পছন্দ করেন। যেমন তিনি তাঁর অবাধ্যতাকে অপছন্দ করেন। mdash;আহমাদ। ইবনু খুযাইমাহ ও ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন, ভিন্ন একটি বর্ণনায় আছে : “যেমন তিনি তাঁর বিশেষ নির্দেশগুলো কার্যকর হওয়াকে পছন্দ করেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] সহীহ। ইবনু হিব্বান (হাঃ ৩৫৪) তা বর্ণনা করেছেন। বর্ণনাকারী হলেনঃ আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ)।









বুলূগুল মারাম (433)


وَعَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا خَرَجَ مَسِيرَةَ ثَلَاثَةِ أَمْيَالٍ أَوْ فَرَاسِخَ, صَلَّى رَكْعَتَيْنِ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (691)




৪৩৩. আনাস (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তিন মাইল অথবা তিন ফারসাখ দূরবর্তী স্থানে যেতেন তখন তিনি দুরাকআত সালাত আদায় করতেন (অর্থাৎ সালাত কসর zwnj;আদায় করতেন)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৬৯১, আবূ দাউদ ১২০১, আহমাদ ১১৯০৪









বুলূগুল মারাম (434)


وَعَنْهُ قَالَ: خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - مِنَ الْمَدِينَةِ إِلَى مَكَّةَ، فَكَانَ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ حَتَّى رَجَعْنَا إِلَى الْمَدِينَةِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1081)، ومسلم (693) من حديث أنس، وعند البخاري. قلت: أقمتم بمكة شيئا؟ قال: أقمنا بها عشرا. ولمسلم نحوه




৪৩৪. আনাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে মাদীনা হতে মক্কার দিকে বের হয়েছিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনা ফিরে আসা পর্যন্ত দুরাকআত, দুরাকআত সালাত আদায় করেছেন। -শব্দ বিন্যাস বুখারীর।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১০৮১, ৪২৯৭, মুসলিম ৬৯৩, তিরমিযী ৫৪৮, নাসায়ী ১৪৩৮, ১৪৫২, আবূ দাউদ ১২৩৩, ইবনু মাজাহ ১০৬৩, ১০৭৭, আহমাদ ১২৫৩৩, ১২৫৬৩, দারেমী ১৫০৯। বুখারীতে রয়েছে, (রাবী বলেন) আমি (আনাস (রাঃ)- কে বললাম, আপনারা (হাজ্জকালীন সময়) মক্কায় কয় দিন অবস্থান করেছিলেন? তিনি বললেন, সেখানে আমরা দশ দিন অবস্থান করেছিলাম।









বুলূগুল মারাম (435)


وَعَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: أَقَامَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - تِسْعَةَ عَشَرَ يَقْصُرُ. وَفِي لَفْظٍ: بِمَكَّةَ تِسْعَةَ عَشَرَ يَوْمًا. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
وَفِي رِوَايَةٍ لِأَبِي دَاوُدَ: سَبْعَ عَشْرَةَ
وَفِي أُخْرَى: خَمْسَ عَشْرَةَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. اللفظ الأول. رواه البخاري (1080)، واللفظ الثاني عنده برقم (4298)




৪৩৫. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা সফরে উনিশ দিন পর্যন্ত অবস্থান কালে সালাত ক্বসর করেন। অন্য শব্দে: ‘মক্কায় ঊনিশ দিন (অবস্থানকালে)। আবূ দাউদের বর্ণনায় আছে সতের দিন। অন্য বর্ণনায় আছেmdash;পনের দিন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১০৮০, ৪২,৯৮, ৪৩০০, তিরমিযী ৫৪৯, ইবনু মাজাহ ১০৭৫, আবূ দাউদ ১২৩০, হাদীসের প্রথম অংশটুকু বুখারী (১০৮০) নম্বর হাদীসে রয়েছে, আর দ্বিতীয় অংশটুকু (৪২৯৮) নম্বর হাদীসে রয়েছে। তবে আবূ দাউদের ১২৩০ নং হাদীসে ১৭ দিন ১২৩১ নং হাদীসে ১৫ দিন, ১২৩২ নং হাদীসে ১৭ দিন উল্লেখ হয়েছে, যে গুলোকে হাদীস বেত্তাগণ সহীহর বিপরীত বলে মন্তব্য বলেছেন। ইমাম বাইহাকী বলেন ১৭ দিন কথাটি ঠিক নয়। বিশুদ্ধ বর্ণনা হয়েচ্ছে ১৯ দিন। সুনানে আল কুবরা বাইহাকী ৩ খন্ড ১৫১ পৃষ্ঠা, নাসায়ীতে বর্ণিত (১৪৫৩) বর্ণিত হাদীসে ১৫ দিনের কথা উল্লেখ থাকলেও হাদীসটিতে আলী বিন যায়দ বিন জাদ'আন রয়েছে। তার সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল, মুহাম্মাদ বিন সাঈদ আল-কাত্তান তারা দুইজন বলেন তার হাদীস পরিত্যাগ করা হয়েছে।

আল মাজমু (৪/৩৬০) গ্রন্থে ইমাম নাবাবী বলেন, এই হাদীসের সানাদে এমন রাবী রয়েছে যার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যাবেনা।









বুলূগুল মারাম (436)


وَلَهُ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ: ثَمَانِيَ عَشْرَةَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (1229) وفي سنده علي بن زيد بن جدعان، وهو ضعيف




৪৩৬. আবূ দাউদে ‘ইমরান বিন হুসাইনের বর্ণনায় আছে- ‘আঠারো দিন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমরান বিন হুসাইন, ইমাম জয়লায়ী হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। نصب الراية ২য় খন্ড ১৮৪ পৃষ্ঠা। ইমাম নববী তাঁর আল মাজমু (৪/৩৬০) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে এমন বর্ণনাকারী রয়েছেন যার হাদীস গ্রহণযোগ্য নয়। শাইখ সুমাইর আয যুহাইরী বলেন, এর সানাদে এর সানাদে আলী বিন যায়দ বিন যাদ আন রয়েছেন, তিনি দুর্বল।









বুলূগুল মারাম (437)


وَلَهُ عَنْ جَابِرٍ: أَقَامَ بِتَبُوكَ عِشْرِينَ يَوْمًا يَقْصُرُ الصَّلَاةَ. وَرُوَاتُهُ ثِقَاتٌ, إِلَّا أَنَّهُ اخْتُلِفَ فِي وَصْلِهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (1235) من طريق معمر، عن يحيى بن أبي كثير، عن محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان، عن جابر، به. قال أبو داود: «غير معمر لا يسنده». قلت: وأجاب عن ذلك النووي، فقال في «الخلاصة»: «هو حديث صحيح الإسناد على شرط البخاري ومسلم، لا يقدح فيه تفرد معمر، فإنه ثقة حافظ، فزيادته مقبولة». وأعلَّه أيضا الدارقطني، ولكن أجيب عن ذلك




৪৩৭. আর আবূ দাউদে জাবির (রাঃ) হতে আরও আছেmdash;তাবূকে তিনি বিশ দিন অবস্থান করেছেন এবং সালাত কসর আদায় করেছেন। হাদীসটির সকল রাবী সিকাহ (নির্ভরযোগ্য)। তবে এর মাওসুল হবার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ১২৩৫, আহমাদ ১৩৭২৬।

খুলাসা (২/৭৩৩) গ্রন্থে ইমাম নাবাবী বলেন, এর সানাদ সহীহ, কারণ তা বুখারী মুসলিমের সানাদের শর্তে। আদ-দিরায়া (১/২১২) গ্রন্থে ইবনু হাজার বলেন, এর সকল রাবী বিশ্বস্ত আবূ দাউদ ও অন্যরা বলেন মামার এককভাবে মারফূ হিসেবে বর্ণনা করেনে।









বুলূগুল মারাম (438)


وَعَنْ أَنَسٍ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا ارْتَحَلَ قَبْلَ أَنْ تَزِيغَ الشَّمْسُ أَخَّرَ الظُّهْرَ إِلَى وَقْتِ الْعَصْرِ, ثُمَّ نَزَلَ فَجَمَعَ بَيْنَهُمَا, فَإِنْ زَاغَتْ الشَّمْسُ قَبْلَ أَنْ يَرْتَحِلَ صَلَّى الظُّهْرَ, ثُمَّ رَكِبَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَفِي رِوَايَةِ الْحَاكِمِ فِي «الْأَرْبَعِينَ» بِإِسْنَادِ الصَّحِيحِ: صَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ, ثُمَّ رَكِبَ
وَلِأَبِي نُعَيْمٍ فِي «مُسْتَخْرَجِ مُسْلِمٍ»: كَانَ إِذَا كَانَ فِي سَفَرٍ, فَزَالَتْ الشَّمْسُ صَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا, ثُمَّ ارْتَحَلَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2/ 582 - 583)، ومسلم (704)




৪৩৮. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য ঢলে পড়ার পূর্বে সফর শুরু করলে আসরের ওয়াক্ত পর্যন্ত যুহর বিলম্বিত করতেন এবং উভয় সালাত একত্রে আদায় করতেন। আর সফর শুরুর আগেই সূর্য ঢলে গেলে যুহর আদায় করে নিতেন। অতঃপর সওয়ারীতে উঠতেন।



আর হাকিমে আরবাঈন গ্রন্থে সহীহ সানাদে বর্ণিত আছে, তিনি [নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] যুহর ও ‘আসরের উভয় সালাত আদায় করে (স্থান ত্যাগের জন্য) বাহনে আরোহণ করতেন।



আবূ নুআইম-এর ‘মুস্তাখরাজি মুসলিম-এ আছে : তিনি [নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] সফরে থাকা কালীন যখন সূৰ্য পশ্চিমে ঢলে যেত তখন তিনি যুহর ও ‘আসরের সালাত একত্রে আদায় করতেন, তারপর রওয়ানা হতেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১০৯২, ১১১১, ১১১২, মুসলিম ৭০৪, ৮৭৬, আবূ দাউদ ১২০৪









বুলূগুল মারাম (439)


وَعَنْ مُعَاذٍ - رضي الله عنه - قَالَ: خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ، فَكَانَ يُصَلِّي الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا, وَالْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ جَمِيعًا. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (706) وزاد: قال: فقلت: ما حمله على ذلك؟ قال: فقال: أراد أن لا يحرج أمته




৪৩৯. মুআয (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে তাবুক যুদ্ধের উদ্দেশ্যে বের হলাম। তিনি ঐ সফরে যুহর ও ‘আসর একত্রে এবং মাগরিব ও ইশা একত্রে পড়াতে থাকেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৭০৬, তিরমিযী ৫৫৩, নাসায়ী ৫৮৭, আবূ দাউদ ১২০৬, ১২০৮, ইবনু মাজাহ ১০৭০, আহমাদ ২১৫০৭, মুওয়াত্ মালেক ৩৩০, দারেমী ১৫১৫









বুলূগুল মারাম (440)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا تَقْصُرُوا الصَّلَاةَ فِي أَقَلَّ مِنْ أَرْبَعَةِ بُرُدٍ; مِنْ مَكَّةَ إِلَى عُسْفَانَ». رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ وَالصَّحِيحُ أَنَّهُ مَوْقُوفٌ، كَذَا أَخْرَجَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف جدا. رواه الدارقطني (1/ 387) وفي سنده أحد المتروكين، وفيه علة أخرى أيضا




৪৪০. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-চার ‘বারিদ-এর কম দূরবর্তী স্থানের সফরে কসর করবে না। যেমন মাক্কা হতে ‘উসফান পর্যন্ত।mdash;দারাকুৎনী দুর্বল সানাদে। হাদীসটির মাওকুফ হওয়াই সঠিক, ইবনু খুযাইমাহ এটি এভাবেই সংকলন করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আল মাজমু (৪/৩২৮) আল খুলাসা (২/৭৩১) গ্রন্থে দ্বয়ে ইমান নাবাবী এই হাদীসের সানাদকে অত্যন্ত দুর্বল বলে আখ্যা দিয়েছেন। সুবুলুস সালাম (২/৬৯) গ্রন্থে ইমাম সানয়ানী বলেন, এই হাদীসে আ: ওহাব বিন মুজাহিদ মাতরুক, সাওরী তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে। ইবনে আব্বাস পর্যন্ত সানাদ সহীহ। শরহে বুলুগুল মারাম (২/৩১৪) গ্রন্থে ইবনু উসাইমিন বলেন হাদীসটি মুনকার। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তা কোনভাবেই প্রমাণিত নয়। মাজমুয়া আর রাসায়েল ওয়াল আমায়েল (২/৩০৭) গ্রন্থে ইবনু তায়মিয়া বলেন, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নামে মিথ্যা আরোপ করা হয়েছে। কিন্তু এটা ইবনু আব্বাসের বক্তব্য। আল ফাতহুর রব্বানী (৬/ ৩১২৫), নায়লুল আওতার ৩/২৫৩, আদ দারাবী আল মুযীয়য়াহ শরহু দুরারুল বাহীয়া (১২৩) গ্রন্থেত্ৰয়েও ইমাম শাওক্কানী আঃ ওয়াহাব বিন মুজাহিদকে মাতরুক হিসেবে অভিহিত করেছেন।