বুলূগুল মারাম
وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «خَيْرُ أُمَّتِي الَّذِينَ إِذَا أَسَاءُوا اسْتَغْفَرُوا, وَإِذَا سَافَرُوا قَصَرُوا وَأَفْطَرُوا». أَخْرَجَهُ الطَّبَرَانِيُّ فِي «الْأَوْسَطِ» بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ
وَهُوَ فِي مُرْسَلِ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عِنْدَ الْبَيْهَقِيِّ مُخْتَصَرٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الطبراني في: «الأوسط». كما في «مجمع البحرين» (921) من طريق ابن لهيعة، عن أبي الزبير، عن جابر، به. وقال: لم يروه عن أبي الزبير، إلا ابن لهيعة. وقال الهيثمي في «المجمع» (2/ 157): «فيه ابن لهيعة، وفيه كلام». قلت: بل هو ضعيف، وأيضا أبو الزبير مدلس، وقد عنعنه
৪৪১. জাবির (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনmdash;আমার উম্মাতের মধ্যে উত্তম তারাই যারা মন্দ কাজ করে ফেললে ক্ষমা প্রার্থনা করে। আর যখন সফর করে তখন সালাত কসর করে ও রোযা মুক্ত অবস্থায় থাকে। mdash;ত্ববারানী এটি আওসাত নামক গ্রন্থে দুর্বল সানাদে বর্ণনা করেছেন এবং সাঈদ বিন মুসাইয়্যাবের মুরসাল হাদীসররূপে বাইহাকীতে এটা সংক্ষিপ্তাকারে সঙ্কলিত হয়েছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] সহীহুল জামে ২৯০১, সিলসিলা যায়ীফা ৩৫৭১, গ্রন্থ দ্বয়ে আলবানী হাদীসটিকে দুর্বল আখ্যায়িত করেছেন। শরহ বুলুগুল মারাম (২/৩১৫) গ্রন্থে ইবনু উসাইমিন বলেন, হাদীসটি দুর্বল তবে এর অর্থ সহীহ। আল জামিউস স্বগীর (১৪৬২) গ্রন্থে সুয়ূতী ও সবুলুস সালাম (২/৭০) গ্রন্থে সনয়ানী, হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন। মাজমাউয যাওয়াদে (২/১৬০) গ্রন্থে ইমাম হায়সামী বলেন এই হাদীসে ইবনু লাহিয়া সে বিতর্কিত। মাত্তাফে কাতুল খবর আল খবর (২/৪৬) গ্রন্থেও ইবনু হাজার আসকালানী উক্ত রাবীকে বিতর্কিত হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তবে তিনি বলেন আমি এর শাহিদ মারাসিলে সাইদ বিন মুসাইয়্যিবে পেয়েছি।
وَعَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: كَانَتْ بِي بَوَاسِيرُ, فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - عَنِ الصَّلَاةِ؟ فَقَالَ: «صَلِّ قَائِمًا, فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَقَاعِدًا, فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَعَلَى جَنْبٍ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1117)
৪৪২. ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমার অৰ্শরোগ ছিল। তাই আল্লাহর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে সালাত সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম, তিনি বললেনঃ দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে, তা না পারলে বসে; যদি তাও না পার তাহলে শুয়ে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১১১৫, ১১১৬, ১১১৭, তিরমিযী ৩৭১, নাসায়ী ১৬৬০, আবূ দাউদ ৯৫১, ৯৫২, ইবনু মাজাহ ১২৩১, আহমাদ ১৯৩৮৬, ১৯৩৯৮
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: عَادَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - مَرِيضًا, فَرَآهُ يُصَلِّي عَلَى وِسَادَةٍ, فَرَمَى بِهَا, وَقَالَ: «صَلِّ عَلَى الْأَرْضِ إِنِ اسْتَطَعْتَ, وَإِلَّا فَأَوْمِ إِيمَاءً, وَاجْعَلْ سُجُودَكَ أَخْفَضَ مِنْ رُكُوعِكَ». رَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ. وَصَحَّحَ أَبُو حَاتِمٍ وَقْفَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح مرفوعا. رواه البيهقي في «المعرفة» (4359)
৪৪৩. জাবির (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক রুগ্ন ব্যক্তির খবরাখবর নিতে যান। ইত্যবসরে বালিশের উপর তাকে সালাতের সিজদা করতে দেখে তা টেনে ফেলে দিয়ে বললেন, মাটির উপর সিজদা করতে সক্ষম হলে মাটির উপর সিজদা করে সালাত আদায় করবে। নতুবা এমনভাবে ইশারা করে সালাত আদায় করবে, তাতে রুকুর ইশারা হতে সিজদার ইশারায় মাথা অপেক্ষাকৃত বেশি নীচু করবে। mdash;বাইহাকী, আবূ হাতিম। এটির মাওকুফ হওয়াকেই সঠিক বলেছেন।
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: رَأَيْتُ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - يُصَلِّي مُتَرَبِّعًا. رَوَاهُ النَّسَائِيُّ. وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه النسائي (3/ 224)، وابن خزيمة (1238)
৪৪৪. ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ‘চার জানু পেতে বসে সালাত আদায় করতে দেখেছি। -হাকিম একে সহীহ বলেছেন।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ, وَأَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ, - أَنَّهُمَا سَمِعَا رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ - عَلَى أَعْوَادِ مِنْبَرِهِ: «لَيَنْتَهِيَنَّ أَقْوَامٌ عَنْ وَدْعِهِمُ الْجُمُعَاتِ, أَوْ لَيَخْتِمَنَّ اللَّهُ عَلَى قُلُوبِهِمْ, ثُمَّ لَيَكُونُنَّ مِنَ الْغَافِلِينَ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (865) ومعنى ودعهم: تركهم
৪৪৫. ‘আবদুল্লাহ বিন উমার ও আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তাঁরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মিম্বারের উপর বলতে শুনেছেন যে, জুমুআহ বর্জনের পাপ হতে লোক অবশ্য অবশ্য বিরত হোক, নতুবা আল্লাহ তাদের অন্তরসমূহে মোহর মেরে দেবেন, এরপর তারা গাফিল (ধৰ্মবিমুখ) হয়ে যাবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৬৫, নাসায়ী ১৩৭০ ইবনু মাজাহ ৭৯৪, ১১২৭, আহমাদ ২১৩৩, ২২৯০, দারেমী ১৫৭০, ودع এর অর্থঃ ترك তথা পরিত্যাগ করা।
وَعَنْ سَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ - رضي الله عنه - قَالَ: كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - الْجُمُعَةَ, ثُمَّ نَنْصَرِفُ وَلَيْسَ لِلْحِيطَانِ ظِلٌّ نَسْتَظِلُّ بِهِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ
وَفِي لَفْظٍ لِمُسْلِمٍ: كُنَّا نَجْمَعُ مَعَهُ إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ, ثُمَّ نَرْجِعُ, نَتَتَبَّعُ الْفَيْءَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (4168)، ومسلم (860)
صحيح. رواه مسلم (860) (31)
৪৪৬. সালামাহ ইবনু আকআকওয়াহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে জুমুআহর সালাত আদায় করে যখন বাড়ি ফিরতাম তখনও প্রাচীরের ছায়া পড়ত না, যে ছায়ায় আশ্রয় নেয়া যেতে পারে। শব্দ বিন্যাস বুখারীর।
মুসলিমের শব্দ বিন্যাসে আছে: আমরা সূর্য পশ্চিমে ঢলে যাবার পর তাঁর সঙ্গে জুমুআহর সালাত আদায় করতাম। তারপর ফিরার সময় ছায়া খুঁজতাম।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪১৬৮, মুসলিম ৮৬০, নাসায়ী ১৩৯১, আবূ দাউদ ১০৮৫, ইবনু মাজাহ ১১০০, আহমাদ ১৬১১১, দারেমী ১৫৪৬
وَعَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - قَالَ: مَا كُنَّا نَقِيلُ وَلَا نَتَغَدَّى إِلَّا بَعْدَ الْجُمُعَةِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ
وَفِي رِوَايَةٍ: فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (939)، ومسلم (859) «تنبيه»: لا فائدة من قول الحافظ «واللفظ لمسلم» إذ هو عند البخاري أيضا بنفس اللفظ، بل وفي غير موطن، منها الموطن المذكور
৪৪৭. সাহল ইবনু সাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি আরো বলেছেন, জুমুআহ (সালাতের) পরই আমরা কায়লুলাহ (দুপুরের শয়ন ও হালকা নিদ্রা) এবং দুপুরের আহার্য গ্রহণ করতাম। (শব্দ বিন্যাস মুসলিমের) ভিন্ন একটি বর্ণনায় আছে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় (এরূপ করতাম)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৯৩৯, ১৯৩৮, ৯8১, ২৩৪৯, ৫৪০৩, ৬২৪৮, মুসলিম ৮৫৯, তিরমিযী ৫২৫, ইবনু মাজাহ ১০৯৯। আর এটা মুসলিম শরীফে আলী বিন হুজরের রিওয়ায়াত।
وَعَنْ جَابِرٍ: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يَخْطُبُ قَائِمًا, فَجَاءَتْ عِيرٌ مِنَ الشَّامِ, فَانْفَتَلَ النَّاسُ إِلَيْهَا, حَتَّى لَمْ يَبْقَ إِلَّا اثْنَا عَشَرَ رَجُلًا. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (863) «تنبيه»: الحديث أيضا عند البخاري (936)، فكان حقه أن يقول: متفق عليه، واللفظ لمسلم. ومعنى انفتل: انصرف
৪৪৮. জাবির (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে খুতবাহ দিচ্ছিলেন। এমন সময় শাম (সিরিয়া) হতে খাদ্যদ্রব্যবাহী উটের দল এসে পৌছল। এর ফলে মুসল্লীগণের মাত্ৰ বারোজন ব্যতীত সকলেই সেখানে চলে গেল।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৮৬৩, ৯৩৬, ২০৫৮, ২০৬৪, ৪৮৯৯, মুসলিম ৮৬৩, তিরমিযী ৩৩১১, আহমাদ ১৪৫৬০। انفتل শব্দের অর্থ انصرف তথা প্রস্থান করা, চলে যাওয়া।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنْ صَلَاةِ الْجُمُعَةِ وَغَيْرِهَا فَلْيُضِفْ إِلَيْهَا أُخْرَى, وَقَدْ تَمَّتْ صَلَاتُهُ». رَوَاهُ النَّسَائِيُّ, وَابْنُ مَاجَهْ, وَالدَّارَقُطْنِيُّ, وَاللَّفْظُ لَهُ, وَإِسْنَادُهُ صَحِيحٌ, لَكِنْ قَوَّى أَبُو حَاتِمٍ إِرْسَالَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه النسائي (1/ 274 - 275)، وابن ماجه (1123)، والدارقطني (2/ 12/12)
৪৪৯. ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমুআহ বা অন্য সালাতের এক রাকআত জামাআতের সঙ্গে পাবে, সে যেন অন্য এক রাকআত তাঁর সঙ্গে মিলিয়ে নেয়, এতে তার সালাত পূর্ণ হয়ে যাবে। -শব্দ বিন্যাস দারাকুৎনীর। এর সানাদ সহীহ, তবে আবূ হাতিম এ হাদীসের সানাদের মুরসাল হওয়াটাকে শক্তিশালী করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ৫৫৭, ইবনু মাজাহ ১১২৩
وَعَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يَخْطُبُ قَائِمًا, ثُمَّ يَجْلِسُ, ثُمَّ يَقُومُ فَيَخْطُبُ قَائِمًا, فَمَنْ أَنْبَأَكَ أَنَّهُ كَانَ يَخْطُبُ جَالِسًا, فَقَدْ كَذَبَ. أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (862) (35) وتمامه: فقد والله صليت معه أكثر من ألفي صلاة
৪৫০. জাবির বিন সামূরাহ (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে খুতবাহ দেয়ার পর (মিম্বারের) উপরেই বসতেন, তারপর পুনঃ দাঁড়িয়ে খুতবাহ দিতেন। অতএব যে সংবাদ দিবে তিনি বসে খুতবাহ দিতেন সে অবশ্যই মিথ্যা বলল।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৮৬২, তিরমিযী ৫০৮, নাসায়ী ১৪১৫, ১৪১৭, ১৪১৮, আবূ দাউদ ১০৯৪, ১০০১, ইবনু মাজাহ ১১০৫, ১১০৬. আহমাদ ২০২৮৯, ২০৩০৬, ২০৩২২, দারেমী ১৫৫৭, ১৫৫৯, পূর্ণাঙ্গ হাদীস : আল্লাহর শপথ! আমি তাঁর সাথে দুই হাজারেরও অধিক সালাত পড়েছি।
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا خَطَبَ, احْمَرَّتْ عَيْنَاهُ, وَعَلَا صَوْتُهُ, وَاشْتَدَّ غَضَبُهُ, حَتَّى كَأَنَّهُ مُنْذِرُ جَيْشٍ يَقُولُ: صَبَّحَكُمْ وَمَسَّاكُمْ, وَيَقُولُ: أَمَّا بَعْدُ, فَإِنَّ خَيْرَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللَّهِ, وَخَيْرَ الْهَدْيِ هَدْيُ مُحَمَّدٍ, وَشَرَّ الْأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا، وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
وَفِي رِوَايَةٍ لَهُ كَانَتْ خُطْبَةُ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - يَوْمَ الْجُمُعَةِ: يَحْمَدُ اللَّهَ وَيُثْنِي عَلَيْهِ, ثُمَّ يَقُولُ عَلَى إِثْرِ ذَلِكَ, وَقَدْ عَلَا صَوْتُهُ
وَفِي رِوَايَةٍ لَهُ: مَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ, وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَا هَادِيَ لَهُ
وَلِلنَّسَائِيِّ: وَكُلَّ ضَلَالَةٍ فِي النَّارِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح، والحديث برواياته رواه مسلم (867)
النسائي (3/ 189) بإسناد صحيح
৪৫১. জাবির বিন ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খুতবাহ দিতেন তখন তাঁর চোখ দুটি রক্তিম বর্ণ ধারণ করত ও আওয়াজ উঁচু হত, আর তাঁর ক্ৰোধ বেড়ে যেত; এমনকি মনে হত তিনি যে কোন শত্রু সৈন্য সম্বন্ধে আমাদেরকে সতর্ক করছেন। আর বলতেন সকাল-সন্ধ্যায় তোমরা আক্রান্ত হবে। আর বলতেন-আম্মা বাদু, উত্তম হাদীস আল্লাহর কিতাব; উত্তম হিদায়াত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হিদায়াত; নিকৃষ্টতর কাজ হচ্ছে বিদআত, প্রত্যেক বিদআতই হচ্ছে ভ্ৰষ্টতা।
মুসলিমের অন্য বর্ণনায় আছে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআহর দিনে (খুতবায়), আল্লাহর হামদ ও সানা পাঠের পর পরই উচ্চকণ্ঠে বক্তব্য রাখতেন।
মুসলিমের ভিন্ন একটি রিওয়ায়াতে আছেndash; “যাকে আল্লাহ হিদায়াত করেন তাকে গুমরাহ করার কেউ নেই, আর যাকে গুমরাহ করেন তাকে হিদায়াত করার কেউ নেই। আর নাসায়ীতে আছে : প্রত্যেক গুমরাহী হচ্ছে জাহান্নামে যাবার কারণ।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৬৭, নাসায়ী ১৫৭৮, আবূ দাউদ ২৯৫৪, ২৯৫৬, ইবনু মাজাহ ৪৫, ২৪১৬ আহমাদ ১৫৭৪৪, ১৩৯২৪, ১৪০২২, দারেমী ২০৬।
وَعَنْ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «إِنَّ طُولَ صَلَاةِ الرَّجُلِ, وَقِصَرَ خُطْبَتِهِ مَئِنَّةٌ مِنْ فِقْهِهِ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (869)، وهو بتمامه: قال أبو وائل: خطبنا عمار، فأوجز وأبلغ، فلما نزل قلنا: يا أبا اليقظان! لقد أبلغت وأوجزت. فلو كنت تنفست - أي: أطلت - فقال: إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: فذكره. وزاد: «فأطيلوا الصلاة، واقصروا الخطبة. وإن من البيان سحرا». «ومئنة»: علامة ودليل، والمعنى: أي: مما يعرف به فقه الخطيب. قلت: وإذ كان الأمر كذلك فانظر إلى حال خطباء زمانك هذا. واسترجع الله
৪৫২. ‘আম্মার বিন ইয়াসির (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ “জুমুআহর সালাত লম্বা করা ও খুতবাহ সংক্ষিপ্ত করা বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক”।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৬৯, আহমাদ ১৭৮৫৩, ১৮৪১০, দারেমী ১৫৫৬, مئنة শব্দের অর্থ : আলামত ও দলীল। হাদীসের ভাবার্থ হচ্ছে: একজন বক্তার মেধা বা প্রজ্ঞা জানা যায় তার জুমু’আর নামায লম্বা করা ও খুৎবা সংক্ষেপ করা থেকে।
وَعَنْ أُمِّ هِشَامٍ بِنْتِ حَارِثَةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - قَالَتْ: مَا أَخَذْتُ: «ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ»، إِلَّا عَنْ لِسَانِ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقْرَؤُهَا كُلَّ جُمُعَةٍ عَلَى الْمِنْبَرِ إِذَا خَطَبَ النَّاسَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (873) (52) وانظر رقم (469)
৪৫৩. উম্মু হিশাম বিনতু হারিসাহ হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন-আমি সূরা (ক্বাফ) রসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যবান থেকে শিক্ষা করেছি। তিনি সূরাটি প্রতিটি জুমুআহর খুতবায় মিম্বারে উঠে পাঠ করতেন যখন লোকেদের মাঝে তিনি খুতবাহ দিতেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৭২, ৮৭৩, নাসায়ী ৯৪৯, ১৪১১, আবূ দাউদ ১১০০, ১১০২, আহমাদ ২৬৯০৯, ২৭০৮১।
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ تَكَلَّمَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَهُوَ كَمَثَلِ الْحِمَارِ يَحْمِلُ أَسْفَارًا, وَالَّذِي يَقُولُ لَهُ: أَنْصِتْ, لَيْسَتْ لَهُ جُمُعَةٌ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, بِإِسْنَادٍ لَا بَأْسَ بِهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أحمد (1/ 230/ رقم 2033)، وفيه مجالد بن سعيد، وهو ضعيف
৪৫৪. ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-ইমামের খুতবাহ দেয়ার সময় যে মুসল্লী কথা বলবে সে ভারবাহী গাধার মত; আর যে তাকে ‘চুপ থাক বলে তার জুমুআর হক আদায় হল না। - আহমাদ দোষমুক্ত সানাদে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৫৯৭, ১৬০৫, ১৬১০, মুসলিম ১২৭০, ১২৭১, তিরমিযী ৮৬০, নাসায়ী ২৯৩৬, ২৯৩৭, ২৯৩৮, আবূ দাউদ ১৮৭৩, ইবনু মাজাহ ২৯৪৩, আহমাদ ১০০, ১৩২, ১৭৭, ১৫৫, মুওয়াত্তা মালেক ৮২৪, দারেমী ১৮৬৪।
ইমাম হাইসামী তার আল মাজমাউয যাওয়ায়িদ (২/১৮৭) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে মুজালিদ বিন সাঈদ রয়েছেন যাকে মুহাদ্দিসগণ দুর্বল বলেছেন। একটি বর্ণনায় ইমাম নাসায়ী তাকে সিক্বাহ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইমাম শওকানী তাঁর সাইলুল জাররার (১/৩০১), গ্রন্থে বলেন, উক্ত রাবীর ব্যাপারে হালকা বিতর্ক রয়েছে। কিন্তু তিনি তার নাইলুল আওত্বার (৩/৩৩৪) গ্রন্থে বলেন, অধিকাংশ মুহাদ্দিস তাকে দুর্বল বলেছেন। শাইখ আলবানী যঈফ তারগীব (৪৪০), তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ (১৩৪২) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন। তবে আহমাদ শাকের মুসনাদ আহমাদের তাহকীকে (৩/৩২৬) এর সানাদকে হাসান বলেছেন।
وَهُوَ يُفَسِّرُ حَدِيثَ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - فِي «الصَّحِيحَيْنِ» مَرْفُوعًا: إِذَا قُلْتَ لِصَاحِبِكَ: أَنْصِتْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ, فَقَدْ لَغَوْتَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (935)، ومسلم (851) ومعنى: «لغوت»: قال الزين بن المنير: اتفقت أقوال المفسرين على أن اللغو ما لا يحسن من الكلام
৪৫৫. এ হাদীসটি আবূ হুরাইরা কর্তৃক সহীহাইনে বর্ণিত ‘মারফু হাদীসের তাফসীর। হাদীসটি হচ্ছে- জুমুআহর দিন যখন তোমার পাশের মুসল্লীকে চুপ থাক বলবে, অথচ ইমাম খুতবাহ দিচ্ছেন, তা হলে তুমি একটি অনৰ্থক কথা বললে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৯৩৪, মুসলিম ৮৫১, তিরমিযী ৫১২, নাসায়ী ১৪০১, ১৪০২, আবূ দাউদ ১১১২, ইবনু মাজাহ ১১১০, দারিমী ১৪৪৮, ১৪৪৯, আহমাদ ৭২৮৮, ৭২৯৯, ৭৭০৬, মুওয়াত্তা মালেক ২৩২। لَغَوْتَ শব্দের অর্থঃ যাইন ইবনুল মুনীর বলেন- সকল ব্যাখ্যাকারীগণ ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, لغو হচ্ছে নিরর্থক, বাজে কথা বলা যা শোভনীয় নয়।
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: دَخَلَ رَجُلٌ يَوْمَ الْجُمُعَةِ, وَالنَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - يَخْطُبُ، فَقَالَ: «صَلَّيْتَ?» قَالَ: لَا. قَالَ: «قُمْ فَصَلِّ رَكْعَتَيْنِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (931)، ومسلم (875) (55)
৪৫৬. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, এক জুমুআহর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবাহ দেয়ার সময় এক ব্যক্তি প্রবেশ করলে তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, সালাত আদায় করেছ কি? সে বলল, না; তিনি বললেনঃ উঠ, দু রাকআত সালাত আদায় কর।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৯৩০, ৯৩১, ১১৭০, মুসলিম ৫৬৫, ৮৭৫, তিরমিযী ৫১০, ১৩৯৫, ১৪০০, আবূ দাউদ ১১৬, ১১১৫, ১১১৬, ইবনু মাজাহ ১১১২ , আহমাদ ১৩৭৫৯, ১৩৮৯৭, দারেমী ১৫৬, ১৫১১, ১৫৫১
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ; - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يَقْرَأُ فِي صَلَاةِ الْجُمُعَةِ سُورَةَ الْجُمُعَةِ, وَالْمُنَافِقِينَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (879)
৪৫৭. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআহর সালাতে সূরা আল-জুমুআহ ও সূরা আল মুনাফিকূন পাঠ করতেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৭৯, তিরমিযী ৫২০, নাসায়ী ৯৫৬, ১৪২১, আবূ দাউদ ১০৪৭, ১০৭৪, ইবনু মাজাহ ৮২১, আহমাদ ১৯৯৪, ২৪৫২, ২৭৯৬।
وَلَهُ: عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ: كَانَ يَقْرَأُ فِي الْعِيدَيْنِ وَفِي الْجُمُعَةِ: بِـ «سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى»، وَ هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (878)
৪৫৮. মুসলিমে নুমান বিন বাশীর (রাঃ)-এর বর্ণিত হাদীসে আছেmdash;দু ঈদের সালাতে ও জুমুআহর সালাতে ‘সাব্বি হিসমা রাব্বিকাল আলা ও ‘হাল আতাকা হাদিসুল গাশিয়্যাহ সূরা দুটি তিলাওয়াত করতেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৭৮, তিরমিযী ৫৩৩, নাসায়ী ১৪২৩, ১৪২৪, আবূ দাউদ ১১২২, ১১২৩, ইবনু মাজাহ ১১১৯, ইবনু মাজাহ ১৭৯১৪, ১৭৯১৬, ১৭৯৪২, মুওয়াত্তা মালোক ২৪৭, দারেমী ১৫৬৬, ১৫৬৭, ১৫৬৮,
وَعَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ - رضي الله عنه - قَالَ: صَلَّى النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - الْعِيدَ, ثُمَّ رَخَّصَ فِي الْجُمُعَةِ, فَقَالَ: «مَنْ شَاءَ أَنْ يُصَلِّيَ فَلْيُصَلِّ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ إِلَّا التِّرْمِذِيَّ، وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح لغيره. رواه أبو داود (1070)، والنسائي (3/ 194)، وابن ماجه (1310)، وأحمد (4/ 372)، وابن خزيمة (1464)، والحديث صححه علي بن المديني، والحاكم. قلت: وفي سنده إياس بن أبي رملة، وهو مجهول كما قال الحافظ في «التقريب». ولكن الحديث صحيح لغيره بما له من شواهد أخرى. «تنبيه»: قول الحافظ: «وصححه ابن خزيمة» إنما هو وهم منه رحمه الله؛ إذا ابن خزيمة لم يصحح الحديث، وإنما علق صحته بعدالة ابن أبي رملة، فقال: إن صح الخبر فإني لا أعرف إياس بن أبي رملة بعدالة ولا جرح
৪৫৯. যায়দ বিন আরকাম (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের সালাত আদায় করে (ঐ দিনের) জুমআহর সালাতের ছাড় দিয়ে বললেন, যার ইচ্ছা হয় সে জুমুআহ আদায় করবে। -ইবনু খুযাইমাহ একে সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ১০৭০, নাসায়ী ১৫৯১, ইবনু মাজাহ ১৩৭০, আহমাদ ১৮৩১০, দারিমী ১৬১২।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمُ الْجُمُعَةَ فَلْيُصَلِّ بَعْدَهَا أَرْبَعًا». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (881)
৪৬০. আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-যখন তোমাদের কেউ জুমুআহর সালাত আদায় করবে সে যেন জুমুআহর সালাত আদায়ের পর চার রাকআত সুন্নাত সালাত আদায় করে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ৮৮১, তিরমিযী ৫২৩, ৫২৪, নাসায়ী ১৪২৬, ১১৩১, ইবনু মাজাহ ১১৩২, আহমাদ ৯৪০৬, ১০১০৮, দারেমী ১৫৭৫