হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (69)


وَعَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ - رضي الله عنه - قَالَ: كُنْتُ رَجُلًا مَذَّاءً, فَأَمَرْتُ الْمِقْدَادَ بْنَ الْأَسْوَدِ أَنْ يَسْأَلَ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - فَسَأَلَهُ فَقَالَ: «فِيهِ الْوُضُوءُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (132)، ومسلم (303)، ولفظ مسلم: (منه) بدل (فيه)




৬৯। ‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আমি এমন পুরুষ ছিলাম যে, আমার অত্যন্ত বেশি মযী নিঃসরণ হতো। তাই সাহাবী মিকদাদ (রাঃ)-কে বললামঃ আপনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ প্রসঙ্গে (মযী বের হলে কি করতে হবে)। জিজ্ঞাসা করে নিবেন। তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার জন্য উযূ করতে হবে। শব্দ বিন্যাস বুখারীর।”[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী (১৩২); মুসলিম (৩০৩); মুসলিমের বর্ণনায় فيه শব্দের পরিবর্তে منه শব্দ আছে।









বুলূগুল মারাম (70)


وَعَنْ عَائِشَةَ, رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَبَّلَ بَعْضَ نِسَائِهِ, ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الصَّلَاةِ وَلَمْ يَتَوَضَّأْ. أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ, وَضَعَّفَهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (610)، وهو وإن ضعفه البخاري، وأعله غيره إلا أن هناك من صححه وهو الصواب




৭০। আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কোন এক বিবিকে চুমু খেয়ে সালাত আদায় করতে বের হয়ে গেলেন, এতে তিনি পুনঃ উযূ করলেন না। আহমাদ, ইমাম বুখারী একে যঈফ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ (৬১০); যদিও ইমাম বুখারী (রহঃ) যঈফ বলেছেন এবং তিনি ছাড়া অন্যান্যরা এর দোষ ধরেছেন তারপরও এখানে যারা হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন তাদের কথাই সঠিক।









বুলূগুল মারাম (71)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا وَجَدَ أَحَدُكُمْ فِي بَطْنِهِ شَيْئًا, فَأَشْكَلَ عَلَيْهِ: أَخَرَجَ مِنْهُ شَيْءٌ, أَمْ لَا? فَلَا يَخْرُجَنَّ مِنَ الْمَسْجِدِ حَتَّى يَسْمَعَ صَوْتًا, أَوْ يَجِدَ رِيحًا». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. مسلم (362)




৭১। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কোন মুসল্লী যখন তার পেটের মধ্যে কোন (গোলযোগ) অনুভব করবে এবং এতে মনে সন্দেহের সৃষ্টি হবে যে, পেট হতে কিছু (বায়ু) বের হল কিনা; এমতাবস্থায় যতক্ষণ না সে তার কোন শব্দ শোনে বা গন্ধ পায়। সে যেন মাসজিদ থেকে বের হয়ে না যায়।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম (৩৬২)









বুলূগুল মারাম (72)


وَعَنْ طَلْقِ بْنِ عَلِيٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَجُلٌ: مَسَسْتُ ذَكَرِي، أَوْ قَالَ: الرَّجُلُ يَمَسُّ ذَكَرَهُ فِي الصَّلَاةِ, أَعَلَيْهِ وُضُوءٌ? فَقَالَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - «لَا, إِنَّمَا هُوَ بَضْعَةٌ مِنْكَ». أَخْرَجَهُ الْخَمْسَةُ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ
وَقَالَ ابْنُ الْمَدِينِيِّ: هُوَ أَحْسَنُ مِنْ حَدِيثِ بُسْرَةَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (182 و 183)، والنسائي (101)، والترمذي (85)، وابن ماجه (483)، وأحمد (43)، وابن حبان (207 موارد) ولكن ينبغي معرفة أن هذا الحديث منسوخ، إذ قال ابن حزم في «المحلي» (139) ولنعم ما قال: «هذا الخبر -خبر طلق- صحيح إلا أنهم لا حجة لهم فيه لوجوه: أحدها: أن هذا الخبر موافق لما كان الناس عليه قبل ورود الأمر بالوضوء من مس الفرج، هذا لا شك فيه، فإذا هو كذلك فحكمه منسوخ يقينا حين أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بالوضوء من مس الفرج، ولا يحل ترك ما تيقن أنه ناسخ، والأخذ بما تيقن أنه منسوخ. وثانيها: أن كلامه عليه السلام: «هل هو إلا بضعة منك؟» دليل بين على أنه كان قبل الأمر بالوضوء منه؛ لأنه لو كان بعده لم يقل عليه السلام هذا الكلام، بل كان يبين أن الأمر بذلك قد نسخ، وقوله هذا يدل على أنه لم يكن سلف فيه حكم أصلا، وأنه كسائر الأعضاء




৭২। ত্বালক বিন ‘আলী (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক সাহাবী (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেন, ‘আমি আমার লিঙ্গ স্পর্শ করে ফেলেছি অথবা বললেন, ‘যদি কেউ সালাতে তা স্পর্শ করে ফেলে, তবে এর কারণে কি তাকে উযূ করতে হবে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘না, এটা তো তোমারই (শরীরের) একটি অংশ বিশেষ। আর ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন[1] এবং ইবনুল মাদানী (বুখারীর উস্তাদ) বলেন, বুসরার হাদীস হতে এটি অধিক উত্তম।




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাসান। আবু দাউদ (১৮২, ১৮৩); নাসায়ী (১০১); তিরমিযী (৮৫); ইবনু মাজাহ (৪৮৩); আহমাদ (৪৩); ইবনু হিব্বান (২০৭ মাওয়ারেদ)। কিন্তু এ হাদীসটি স্পষ্টতঃ মানসূখ তথা রহিত হয়ে গেয়ে। যখন ইবনু হাযম তাঁর মুহাল্লায় (১৩৯) কত সুন্দর কথা বলেছেন যে, এ ত্বালক রাবীর হাদীস সহীহ তবে তাদের কথার দুটি দিক দিয়ে সঠিক নয়।
১. এ হাদীসটি লজ্জাস্থান স্পর্শ করার নির্দেশ বর্ণিত হওয়ার পূর্বেকার সময়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এতে কোন সন্দেহ নেই। বিষয় যদি এমনই হয়ে থাকে। তবে এ হাদীস রহিত হওয়াতে কোন সন্দেহ নেই যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লজ্জাস্থান স্পর্শ করার কারণে অযূ করার নির্দেশ প্রদান করেছেন। ফলে কোন বিষয়ের রহিতকারী হওয়ার দৃঢ় বিশ্বাস হলে তা বর্জন করা এবং যা মানসূখ বা রহিত হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস অর্জিত হয় তা গ্রহণ করা বৈধ নয়। ২. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা: এটা তো তোমারই (শরীরের) একটি অংশ বিশেষ”। লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে অযূ করার বিধান দেয়ার পূর্বের উক্তি হওয়ার ব্যাপারে স্পষ্ট দলীল। কেননা তা পরবর্তীকালের বিষয় হত তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন কথা বলতেন না। বরং এ থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, এ কথাটি রহিত হয়ে গেছে। লজ্জাস্থান যে, “অন্যান্য অঙ্গের মতো” কথার পূর্বে এ বিষয়ে মূলতঃ কোন হুকুমই বর্ণিত হয়নি।









বুলূগুল মারাম (73)


وَعَنْ بُسْرَةَ بِنْتِ صَفْوَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا; - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ مَسَّ ذَكَرَهُ فَلْيَتَوَضَّأْ». أَخْرَجَهُ الْخَمْسَةُ, وَصَحَّحَهُ التِّرْمِذِيُّ, وَابْنُ حِبَّانَ
وَقَالَ الْبُخَارِيُّ: هُوَ أَصَحُّ شَيْءٍ فِي هَذَا الْبَابِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (181)، والنسائي (100)، والترمذي (82)، وابن ماجه (479)، وأحمد (6/ 406)، وابن حبان (212 موارد) وقد أعل هذا الحديث بما لا يقدح، كما هو مبين بالأصل




৭৩। বুসরাহ বিনতে সাফওয়ান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আল্লাহর রসূল (রাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তাঁর পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করবে সে যেন উযূ করে। ৫ জনে (আহমাদ, আবূ দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ)। তিরমিযী ও ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন।”[1] আর ইমাম বুখারী বলেন, ‘এ বিষয়ে অধ্যায়ের হাদীসগুলোর মধ্যে এটিই সর্বাধিক সহীহ।




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবু দাউদ (১৮১); নাসায়ী; (১০০);তিরমিযী (৮২); ইবনু মাজাহ (৪৭৯), আহমাদ (৬/৪০৬); ইবনু হিব্বান (২১২ মাওয়ারেদ), এ হাদীস কিছু দোষ ধরা হলেও তা ক্ষতিকর নয়।









বুলূগুল মারাম (74)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - قَالَ: «مَنْ أَصَابَهُ قَيْءٌ أَوْ [ص: 26] رُعَافٌ, أَوْ قَلَسٌ, أَوْ مَذْيٌ فَلْيَنْصَرِفْ فَلْيَتَوَضَّأْ, ثُمَّ لِيَبْنِ عَلَى صَلَاتِهِ, وَهُوَ فِي ذَلِكَ لَا يَتَكَلَّمُ». أَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَه
وَضَعَّفَهُ أَحْمَدُ وَغَيْرُهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه ابن ماجه (1221)




৭৪। ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তির বমি হয়, নাক দিয়ে রক্ত পড়ে ও ভক্ষিত খাদ্য বস্তু মুখ পর্যন্ত চলে আসে কিংবা মাযী নিৰ্গত হয় সে যেন (সালাত ছেড়ে) ওযূ করে নেয় এবং (এর মধ্যে কারো সাথে) কোন কথা না বলে; তাহলে সে সালাতের বাকি অংশ সমাধান করে নিবে।-ইবনু মাজাহ।[1] আহমাদ ও প্রমুখ একে যঈফ বলেছেন।




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। ইবনু মাজাহ (১২২১)









বুলূগুল মারাম (75)


وَعَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; - أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم: أَتَوَضَّأُ مِنْ لُحُومِ الْغَنَمِ? قَالَ: «إِنْ شِئْتَ» قَالَ: أَتَوَضَّأُ مِنْ لُحُومِ الْإِبِلِ? قَالَ: «نَعَمْ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (360)




৭৫। জাবির বিন সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, কোন এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করল, ‘মেষ ছাগলের গোশত খেয়ে কি উযূ করবো? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘যদি তুমি চাও। জিজ্ঞেস করা হলো, ‘উটের গোশত খেয়ে কি উযূ করবো? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘হাঁ, করবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম (৩৬০)









বুলূগুল মারাম (76)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ غَسَّلَ مَيْتًا فَلْيَغْتَسِلْ, وَمَنْ حَمَلَهُ فَلْيَتَوَضَّأْ». أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ, وَالنَّسَائِيُّ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَحَسَّنَهُ
وَقَالَ أَحْمَدُ: لَا يَصِحُّ فِي هَذَا الْبَابِ شَيْءٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد رقم (7675)، والترمذي (993) والحديث قد أعله جماعة كالإمام أحمد كما نقل الحافظ ولكن طرق الحديث وشواهده الكثيرة لا تدع أدنى شك في تصحيحه، وانظر «الأصل» إن شئت معرفة ذلك. «تنبيه»: وهم الحافظ عي عزوه للنسائي. والله أعلم




৭৬। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোন মৃতকে গোসল করায় সে নিজেও গোসল করে নিবে। আর যে ব্যক্তি কোন (মাইয়িতকে) বহন করবে। সে যেন উযূ করে। তিরমিযী একে হাসান বলেছেন।[1] ইমাম আহমাদ বলেছেন, ‘এ বিষয়ে কোন সহীহ হাদীস নেই।




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ (৭৬৭৫), তিরমিযী (৯৯৩); একদল আয়েম্মায়ে কেরাম এ হাদীসের দোষ বর্ণনা করেছেন। যেমন ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল। যেমনটি বর্ণনা করেছেন ইবনু হাজার আসকালানী রহ, কিন্তু এ হাদীসের সনদ ও সমর্থক হাদীস এত বেশি যে এ হাদীসটির সহীহ হওয়ার ব্যাপারে কোন সন্দেহ থাকে না।









বুলূগুল মারাম (77)


وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ رَحِمَهُ اللَّهُ: أَنَّ فِي الْكِتَابِ الَّذِي كَتَبَهُ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - لِعَمْرِو بْنِ حَزْمٍ: «أَنْ لَا يَمَسَّ الْقُرْآنَ إِلَّا طَاهِرٌ». رَوَاهُ مَالِكٌ مُرْسَلًا, وَوَصَلَهُ النَّسَائِيُّ, وَابْنُ حِبَّانَ, وَهُوَ مَعْلُولٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف، في الموطأ (1/ 199)




৭৭. আবদুল্লাহ বিন আবূ বাকর থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমর বিন হযমকে যে পত্র পাঠিয়েছিলেন তাতে ছিলmdash; পবিত্র ব্যক্তি ছাড়া কেউ যেন কুরআন স্পর্শ না করে। ইমাম মালিক একে মুরসাল রূপে বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী ও ইবনু হিব্বান একে ‘মাওসুল বলেছেন। হাদীসটি মালূল (দোষযুক্ত)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুহাদ্দিস আযীমাবাদী তাঁর গায়াতুল মকসূদ (২/২৭৯) গ্রন্থে, আবদুর রহমান মুবারকপুরী তাঁর তুহফাতুল আহওয়াযী (১/৩৩৬) গ্রন্থে, আবু দাউদ মারাসিল (১৯৬) গ্রন্থে এটিকে মুরসাল বলেছেন। ইবনু উসাইমীন তাঁর শরহে বুলুগুল মারাম (১/২৭১) গ্রন্থে একে সহীহ বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (78)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَذْكُرُ اللَّهَ عَلَى كُلِّ أَحْيَانِهِ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ, وَعَلَّقَهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. علقه البخاري (214/فتح)، ووصله مسلم (373)




৭৮। ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, ‘রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবসময় আল্লাহর যিকরে মত্ত থাকতেন। বুখারী একে মুআল্লাক বা সানাদবিহীন বর্ণনা করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম বুখারী এক মুয়াল্লাক হিসেবে বর্ণনা করেছেন "(ফাতহুল বারী ২১৪), আর ইমাম মুসলিম একে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন।









বুলূগুল মারাম (79)


وَعَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - احْتَجَمَ وَصَلَّى, وَلَمْ يَتَوَضَّأْ. أَخْرَجَهُ الدَّارَقُطْنِيُّ, وَلَيَّنَهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الدارقطني (151 - 152)




৭৯। আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিঙ্গা লাগিয়ে পুনঃ উযূ না করেই সালাত আদায় করেছেন। দারাকুৎনী বর্ণনা করেছেন এবং তিনি একে দুর্বল বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। দারাকুতনী (১৫১-১৫২), ইমাম শওকানী তাঁর আদ দিরারী আল মুযীয়া (৫২) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে সালিহ বিন মুকাতিল রয়েছেন যিনি দুর্বল বর্ণনাকারী। ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম (১/১০৯) গ্রন্থেও উক্ত বর্ণনাকারীকে ‘শক্তিশালী নয়’ বলেছেন। তাছাড়া ইমাম নববী তাঁর আল খুলাসা (১/১৪৩), ইবনু উসাইমীন তাঁর আশ শারহুল মুমতি' (১/২৭৪) গ্রন্থে, ও মাজমু ফাতাওয়া লি উসাইমীন (১১/১৯৮) গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (80)


وَعَنْ مُعَاوِيَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «الْعَيْنُ وِكَاءُ السَّهِ, فَإِذَا نَامَتْ الْعَيْنَانِ اسْتَطْلَقَ الْوِكَاءُ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالطَّبَرَانِيُّ وَزَادَ: «وَمَنْ نَامَ فَلْيَتَوَضَّأْ
وَهَذِهِ الزِّيَادَةُ فِي هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ أَبِي دَاوُدَ مِنْ حَدِيثِ عَلِيٍّ دُونَ قَوْلِهِ: «اسْتَطْلَقَ الْوِكَاءُ». وَفِي كِلَا الْإِسْنَادَيْنِ ضَعْفٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (4/ 97)، وأبو داود (203) وفي الأصل زيادة تفصيل




৮০। মুআবিয়াহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘চক্ষু মলদ্বারের বন্ধনস্বরূপ। চক্ষুদ্বয় ঘুমিয়ে পড়লে উক্ত বন্ধন খুলে যায়। (যার কারণে ওযূ নষ্ট হয়ে যায়) -আহমাদ ও ত্বাবারানী। আর ত্বাবারানী অতিরিক্ত শব্দ যোগ করেছেনঃ “যে ঘুমিয়ে পড়ে সে যেন উযূ করে।” এ অতিরিক্ত অংশটুকু আবূ দাউদেও ‘আলী (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হয়েছে। ‘তবে এতে ‘বন্ধন খুলে যায় অংশটুকু নেই। উক্ত সানাদ দুটিই দুর্বল।”[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাসান। আহমাদ (৪/৯৭), আবু দাউদ (২০৩)









বুলূগুল মারাম (81)


وَلِأَبِي دَاوُدَ أَيْضًا, عَنْ اِبْنِ عَبَّاسٍ مَرْفُوعًا: «إِنَّمَا الْوُضُوءُ عَلَى مَنْ نَامَ مُضْطَجِعًا». وَفِي إِسْنَادِهِ ضَعْفٌ أَيْضًا

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
منكر. رواه أبو داود (202)




৮১। আবূ দাউদে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে আরও একটি ‘মারুফ হাদীস বর্ণিত হয়েছে, “যে ব্যক্তি হাত পা বিছিয়ে শরীর এলিয়ে দিয়ে ঘুমিয়ে যাবে তাকে উযূ করতে হবে।” এ সানাদেও দুর্বলতা রয়েছে।”[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুনকার। আবু দাউদ (২০২), ইমাম নববী তাঁর আল মাজমু (২/২০) গ্রন্থে বলেন, এ হাদীসটি মুনকার হওয়ার ব্যাপারে মুহাদ্দিসগণ ঐকমত্য পোষণ করেছেন। ইবনু আবদুল বার তাঁর আত তামহীদ (১৮/২৪৩) গ্রন্থেও প্রায় একই কথা বলেছেন। হাকিম (১৩৪), ইবনু হিব্বান (২৬৬৬), শাইখ আলবানী তাঁর যাঈফুল জামে (৫৬৮) ও যঈফ আবু দাউদ (১০২৯) গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (82)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «يَأْتِي أَحَدَكُمُ الشَّيْطَانُ فِي صَلَاتِهِ, فَيَنْفُخُ فِي مَقْعَدَتِهِ فَيُخَيَّلُ إِلَيْهِ أَنَّهُ أَحْدَثَ, وَلَمْ يُحْدِثْ, فَإِذَا وَجَدَ ذَلِكَ فَلَا يَنْصَرِفُ حَتَّى يَسْمَعَ صَوْتًا أَوْ يَجِدَ رِيحًا. أَخْرَجَهُ الْبَزَّارُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه البزار (281)




৮২। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘শয়তান সালাতে তোমাদের কারও নিকট উপস্থিত হয়ে উযূ আছে কি নেই এ নিয়ে মনের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি করে। যদি কারো এমন হয় তাহলে যেন সে তার বায়ু নিৰ্গত হওয়ার শব্দ বা গন্ধ না পাওয়া পর্যন্ত সালাত ছেড়ে না দেয়।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বাযযার (২৮১) [দেখুন পরের হাদীসের নোট]









বুলূগুল মারাম (83)


وَأَصْلُهُ فِي الصَّحِيحَيْنِ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. ولفظه: شكي إلى النبي صلى الله عليه وسلم: الرجل يخيل إليه أن يجد الشيء في الصلاة؟ قال: «لا ينصرف حتى سمع صوتا، أو يجد ريحا». البخاري (137)، ومسلم (361)




৮৩। অত্র হাদীসের মূল বক্তব্য বুখারী ও মুসলিমে ‘আবদুল্লাহ বিন যায়দ (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত রয়েছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাদীসের শব্দ হচ্ছে شكي إلى النبي صلى الله عليه وسلم: الرجل يخيل إليه أن يجد الشيء في الصلاة؟ قال: «لا ينصرف حتى سمع صوتا، أو يجد ريحا। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অভিযোগ দেয়া হলো যে, কোন ব্যক্তি সালাতে এ ধারণা করে যে তাঁর কিছু হয়ে গেছে (তখন কী করবে), রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে শব্দ পাওয়া বা গন্ধ না পাওয়া পর্যন্ত সালাত পরিত্যাগ করবে না।









বুলূগুল মারাম (84)


وَلِمُسْلِمٍ: عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ نَحْوُهُ




৮৪। মুসলিমেও আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে অনুরূপ হাদীস আছে।




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[দেখুন পূর্বের হাদীস]









বুলূগুল মারাম (85)


وَلِلْحَاكِمِ. عَنْ أَبِي سَعِيدٍ مَرْفُوعًا: «إِذَا جَاءَ أَحَدَكُمُ الشَّيْطَانُ, فَقَالَ: إِنَّكَ أَحْدَثْتَ, فَلْيَقُلْ: كَذَبْتَ». وَأَخْرَجَهُ ابْنُ حِبَّانَ بِلَفْظِ: «فَلْيَقُلْ فِي نَفْسِهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الحاكم (134)، وابن حبان (2666)، وتمامه عندهما: حتى يسمع صوتا بأذنه، أو يجد ريحا بأنفه




৮৫। আর হাকিমে আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে ‘মারফূ রূপে বৰ্ণিত আছে, “যখন শয়তান তোমাদের কারো নিকট এসে বলে যে, নিশ্চয় তুমি বায়ু নিঃস্বরণ করেছো”। তখন সে যেন বলে ‘নিশ্চয়ই তুমি মিথ্যা বলছ”। ইবনু হিব্বানে এই শব্দেঃ ‘তুমি মিথ্যে বললে কথাটা মনে মনে বলবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যঈফ। হাকিম (১৩৪), ইবনু হিব্বান (২৬৬৬), তাঁদের উভয়ের বর্ণনাতে পূর্ণ হাদীসটি রয়েছে حتى يسمع صوتا بأذنه، أو يجد ريحا بأنفه, যতক্ষণ না সে নিজ কানে এর আওয়াজ শুনে অথবা নাকে গন্ধ পায়।









বুলূগুল মারাম (86)


عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا دَخَلَ الْخَلَاءَ وَضَعَ خَاتَمَهُ. أَخْرَجَهُ الْأَرْبَعَةُ, وَهُوَ مَعْلُولٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
منكر. رواه أبو داود (19)، والترمذي (1746)، والنسائي (1/ 178)، وابن ماجه (303)




৮৬। আনাস বিন মালিক (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে (পায়খানায়) যেতেন (আল্লাহর নাম খোদিত) আংটি খুলে রাখতেন। -৪ জনে (আবূ দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ)। সানাদটি মালুল (ত্রুটিযুক্ত)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুনকার। আবু দাউদ (১৯); তিরমিযী (১৭৪৬); নাসায়ী (১/১৭৮); ইবনু মাজাহ (৩০৩), ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম (১/১১৩) গ্রন্থে বলেন, এ হাদীসের বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত কিন্তু ইবনু জুরাইজ যুহরী থেকে শুনেননি। বরং তিনি যিয়াদ বিন সা'দ থেকে, আর তিনি যুহরী থেকে শুনেছেন। কিন্তু সেটি অন্য শব্দে। এখানে হুমামের ব্যাপারে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে, কিন্তু তিনি বিশ্বস্ত। ইবনু উসাইমীন তাঁর আশ শারহুল মুমতি’ (৬/১১২) গ্রন্থে হাদীসটিকে ত্রুটিপূর্ণ বলেছেন। ইবনুল কাইয়্যিম তাঁর তাহযীবুস সুনান (১/৩৫) গ্রন্থে বলেন, এর সনদ সহীহ হলেও ত্রুটিপূর্ণ। শাইখ আলবানী যঈফ আবু দাউদ (১৯) গ্রন্থে একে মুনকার বলেছেন। আর যঈফ তিরমিযী (১৭৪৬) ও যঈফ নাসায়ী (৫২২৮) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (87)


وَعَنْهُ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا دَخَلَ الْخَلَاءَ قَالَ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ». أَخْرَجَهُ السَّبْعَةُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (142)، ومسلم (375)، وأبو داود (4)، والترمذي (5)، والنسائي (10)، وابن ماجه (296)، أحمد (3/ 99 و 101 و 282)




৮৭। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানায় ঢোকার সময় (নিম্নোক্ত দুঅটি) বলতেনঃ (বিসমিল্লাহ) আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযূবিকা মিনাল খুবুসি ওয়াল খাবাইস। অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি মন্দ পুরুষ ও মহিলা জিনের অনিষ্ট হতে আশ্রয় চাই।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী (১৪২); মুসলিম (৩৭৫); আবু দাউদ (৪); তিরমিযী (৫); নাসায়ী (১০); ইবনু মাজহ (২৯৬); আহমাদ (৩/৯৯, ১০১, ২৮২)









বুলূগুল মারাম (88)


وَعَنْهُ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَدْخُلُ الْخَلَاءَ, فَأَحْمِلُ أَنَا وَغُلَامٌ نَحْوِي إِدَاوَةً مِنْ مَاءٍ وَعَنَزَةً, فَيَسْتَنْجِي بِالْمَاءِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (150)، ومسلم (271)، (70) واللفظ لمسلم. والعنزة: رميح بين العصا والرمح، فيه زج




৮৮। উক্ত সাহাবী আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পায়খানায় যেতেন। আমি ও আমার মত একটি ছেলে চামড়ার তৈরি পাত্র ও বর্ষা নিয়ে যেতাম। তিনি সে পানি দিয়ে সৌচ কাৰ্য সমাধা করতেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] সহীহ বুখারী (১৫০); মুসলিম (৭০, ২৭১); হাদীসের শব্দ ইমাম মুসলিমের। হাদীসের العنزة হচ্ছে বর্শা ও লাঠির মাঝামাঝি আকারের ছোট বর্শা।